সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান
প্রকৃতিপ্রেমী দ্বিজেন
- পত্রিকায় দেখলাম, এ বছর একুশে পদক পেতে যাচ্ছেন প্রকৃতিপ্রেমী দ্বিজেন শর্মা। বাংলাদেশের মত 'অদ্ভুত উটের পিঠে চলা দেশে' বিবর্তনবাদ প্রসারে যে ক' জন ব্যক্তি নিরলসভাবে কাজ করেছেন তাদের মধ্যে দ্বিজেন শর্মা অন্যতম। এ ছাড়া শিক্ষক হিসেবে, উদ্ভিদ বিজ্ঞানী হিসেবে, অনুবাদক হিসেবে, সাহিত্যপ্রেমী হিসেবে, প্রাকৃতিক পরিবেশ নিয়ে সচেতনতার ক্ষেত্রে তো তার অবদান আছেই। আমার মনে আছে - আমার এবং ফরিদ আহমেদের লেখা 'মহাবিশ্বে প্রাণ এবং বুদ্ধিমত্তার খোঁজে' এবং বন্যার 'বিবর্তনের পথ ধরে' বই দুটো যখন প্রথম বইমেলায় বেরিয়েছিল ২০০৭ সালে, দ্বিজেন শর্মা নিজের উদ্যোগেই বই দুটোর চমৎকার একটা রিভিউ করেছিলেন, সেটা বেরিয়েছিল প্রথম আলোর সাহিত্য সাময়িকী বিভাগে। তখন আমি ভদ্রলোককে চিনতামও না। পত্রিকা খুলে রিভিউ পড়ে খুব অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। রিভিউটি রাখা আছে এখানে, পাঠকেরা পড়ে নিতে পারেন, নিঃসন্দেহে পস্তাবেন না। পরের বছর এক সময় দেশে গিয়ে উনার সাথে আলাপ করেছিলাম। ভদ্রলোকের বাসায় গিয়েছিলাম আমি আর বন্যা। সঙ্গে ছিলেন বিজ্ঞান বক্তা আসিফ। ভদ্রলোকের অমায়িক ব্যবহারে বিস্মিত হয়ে গিয়েছিলাম। বড় মানুষ হতে হলে মিথ্যে অহমিকা যে বাদ দিতে হয়, তা দ্বিজেন শর্মাকে দেখেই অনুভব করেছিলাম সেদিন। একুশে পদক প্রাপ্তিতে দ্বিজেন শর্মাকে অভিনন্দন এবং শ্রদ্ধা!