অন্যায়ের কাছে মাথানিচু না করে অন্যায়কারীকেই মাথানিচু হওয়া উচিত !
আমাদের গ্রামেরই ভিতরে একটা জায়গায় ক্রিকেট খেলছিলাম। এক ফাজিল আমাদের সিনিয়র এক ভাইয়ের লুঙ্গি টান দিয়ে খুলে দেয়। টান দিয়েই সে এক দৌড়ে পগারপার। আমরা সিনিয়র জুনিয়র মিলে এতগুলো ছেলের সামনে নিজের লুঙ্গিহরণ দেখে সিনিয়র ভাইটির ইগোতে লেগেছিল অনেক। তিনি আর লুঙ্গি পড়ার চেষ্টাই করলেন না কোন। ন্যাংটা হয়েই দাঁড়িয়ে থাকলেন। আমরা সবাই বললাম ভাই লুঙ্গিটা পড়ে নেন।
তিনি বললেন আমি লুঙ্গি কোনভাবেই পড়ব না। যে আমার লুঙ্গি খুলে দিয়েছে তাকেই এসে লুঙ্গি পড়িয়ে দিতে হবে। নয়তো আমি এভাবেই দাঁড়িয়ে থাকব। পাঁচ মিনিট, দশ মিনিট, আধা ঘন্টা হয়ে যায়। তিনি আর লুঙ্গি পড়েন না। গ্রামের মাঝখানে একটা সুস্থ স্বাভাবিক প্রাপ্তবয়স্ক ছেলে ন্যাংটা দাঁড়িয়ে আছে এটা কেমন দৃশ্য হবে একবার ভেবে দেখুন।
প্রায় ২ ঘন্টা হয়ে গেল। যে লুঙ্গি খুলে দিয়েছে তাকে আর পাওয়া যায় না। তিনিও লুঙ্গি পড়েন না। ঠাঁই দাঁড়িয়ে আছেন। ঐ রাস্তা দিয়ে মেয়েরা হাঁটা বন্ধ করে দিল। মানুষই যাচ্ছে না। স্বয়ং আমরাও দূর্ঘটনাস্থল থেকে একটু দূরে গিয়ে জটলা পাঁকিয়ে বসে আছি। শেষে গ্রামের মুরব্বিদের হস্তক্ষেপে মীমাংসা হলো। উনারা যে লুঙ্গি খুলে দিয়েছে তাকে ধরে নিয়ে আসেন। সে এসে লুঙ্গি পড়িয়ে দিলে ঘটনার সমাপ্তি হয়।
যতবার বাঙালির প্রতিবাদ দেখি ততবার আমার এই ঘটনাটি মনে পড়ে যায়। আমরা দুই একদিন প্রতিবাদ করব। তারপর নিজেরাই সড়ে যাব ঘটনাস্থল থেকে। আমি বা আমরা হলে কি করতাম?;-
তাড়াতাড়ি নিজের লুঙ্গি নিজে পড়ে নিতাম। ব্যস ঘটনার শেষ। কিন্তু তিনি সেটা করেন নি। উনার আল্টিমেটাম একটাই। যে লুঙ্গি খুলে দিয়েছে তাকেই এসে লুঙ্গি পড়িয়ে দিতে হবে। নয়তো আমি ন্যাংটা হয়েই দাঁড়িয়ে থাকব। যে দেখে তার শরম। আমার কোন শরম নাই।
এটাই প্রতিবাদ। অন্যায়ের কাছে মাথানিচু না করে অন্যায়কারীকেই মাথানিচু করানো। কিন্তু সেই সাহস আছে কয়জনের?
আমি এখনো হাসি এটা মনে পড়লে।
তিনি বললেন আমি লুঙ্গি কোনভাবেই পড়ব না। যে আমার লুঙ্গি খুলে দিয়েছে তাকেই এসে লুঙ্গি পড়িয়ে দিতে হবে। নয়তো আমি এভাবেই দাঁড়িয়ে থাকব। পাঁচ মিনিট, দশ মিনিট, আধা ঘন্টা হয়ে যায়। তিনি আর লুঙ্গি পড়েন না। গ্রামের মাঝখানে একটা সুস্থ স্বাভাবিক প্রাপ্তবয়স্ক ছেলে ন্যাংটা দাঁড়িয়ে আছে এটা কেমন দৃশ্য হবে একবার ভেবে দেখুন।
প্রায় ২ ঘন্টা হয়ে গেল। যে লুঙ্গি খুলে দিয়েছে তাকে আর পাওয়া যায় না। তিনিও লুঙ্গি পড়েন না। ঠাঁই দাঁড়িয়ে আছেন। ঐ রাস্তা দিয়ে মেয়েরা হাঁটা বন্ধ করে দিল। মানুষই যাচ্ছে না। স্বয়ং আমরাও দূর্ঘটনাস্থল থেকে একটু দূরে গিয়ে জটলা পাঁকিয়ে বসে আছি। শেষে গ্রামের মুরব্বিদের হস্তক্ষেপে মীমাংসা হলো। উনারা যে লুঙ্গি খুলে দিয়েছে তাকে ধরে নিয়ে আসেন। সে এসে লুঙ্গি পড়িয়ে দিলে ঘটনার সমাপ্তি হয়।
যতবার বাঙালির প্রতিবাদ দেখি ততবার আমার এই ঘটনাটি মনে পড়ে যায়। আমরা দুই একদিন প্রতিবাদ করব। তারপর নিজেরাই সড়ে যাব ঘটনাস্থল থেকে। আমি বা আমরা হলে কি করতাম?;-
তাড়াতাড়ি নিজের লুঙ্গি নিজে পড়ে নিতাম। ব্যস ঘটনার শেষ। কিন্তু তিনি সেটা করেন নি। উনার আল্টিমেটাম একটাই। যে লুঙ্গি খুলে দিয়েছে তাকেই এসে লুঙ্গি পড়িয়ে দিতে হবে। নয়তো আমি ন্যাংটা হয়েই দাঁড়িয়ে থাকব। যে দেখে তার শরম। আমার কোন শরম নাই।
এটাই প্রতিবাদ। অন্যায়ের কাছে মাথানিচু না করে অন্যায়কারীকেই মাথানিচু করানো। কিন্তু সেই সাহস আছে কয়জনের?
আমি এখনো হাসি এটা মনে পড়লে।